Summary
এটি বিভিন্ন দ্বীপের তথ্য তুলে ধরে যা রাজনৈতিক, ঐতিহাসিক ও ভূগোলগত গুরুত্ব বহন করে:
- কর্সিকা দ্বীপ: ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত, ফ্রান্স সম্রাট নেপোলিয়নের জন্মস্থান (১৭৬৯)।
- সেন্ট এলবা দ্বীপ: নেপোলিয়নের প্রথম নির্বাসন স্থান (১৮১৪)।
- মিন্দানাও দ্বীপ: ফিলিপাইনস অধীন মুসলিম অধ্যুষিত দ্বীপ।
- আবু মুসা দ্বীপ: পারস্য উপসাগরে, ইরান ও ইউএইয়ের মধ্যে বিরোধপূর্ণ।
- প্যারাসেলস দ্বীপ: দক্ষিণ চীন সাগরে, চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ।
- সেন্ট হেলেনা দ্বীপ: আটলান্টিক মহাসাগরে, নেপোলিয়নের ২য় নির্বাসন স্থান এবং মৃত্যুর স্থান।
- শাত-ইল-আরব: পারস্য সাগরে, ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- হাওয়াই দ্বীপ: যুক্তরাষ্ট্রের অধীন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি।
- গুয়াম দ্বীপ: মার্কিন নৌ-ঘাঁটির জন্য পরিচিত।
- গ্রিনল্যান্ড: পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ, ডেনমার্কের মালিকানায়।
- জাপানের প্রধান দ্বীপসমূহ: হনসু, কিউসু, শিকোকু, হোক্কাইডো।
- ওকিনাওয়া দ্বীপ: মার্কিন নৌ ঘাঁটি রয়েছে।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ: রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ।
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ: চীনের অধীন, চীন ও ভিয়েতনামের মধ্যে বিরোধ।
- ফকল্যান্ড দ্বীপ: আর্জেন্টিনা ও ব্রিটেনের মধ্যে ১৯৮২ সালে যুদ্ধের কারণ, বর্তমানে ব্রিটেনের মালিকানায়।
- শাখালিন দ্বীপ: রাশিয়ার মালিকানায়, রাশিয়ার নৌ ঘাঁটি রয়েছে।
- সিসিলি দ্বীপ: ইতালির মালিকানা, বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের স্মৃতি জড়িত।
- সুবিক বে: ১৯৯২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ফিলিপিন্সের কাছে হস্তান্তর করেছে।
- গুয়ানতানামো বে: কিউবার মালিকানায়, মার্কিন নৌ ঘাঁটি রয়েছে।
- সেনকাকু দ্বীপ: চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ, চীন এটিকে 'দিয়াওয়ার্ড' নামে ডাকে।
- লায়লা/পেরিজিল: মরক্কোর মূল ভূখণ্ডে, মরক্কো ও স্পেনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ।
কর্সিকা দ্বীপ
- ভূমধ্যসাগরের একটি দ্বীপ।
- ১৭৬৯ সালে ফ্রান্স সম্রাট নেপোলিয়ন এখানে জন্মগ্রহণ করেন।
সেন্ট এলবা দ্বীপ
- ভূমধ্যসাগরের একটি দ্বীপ।
- ১৮১৪ সালে নেপোলিয়নকে প্রথমবারের মত নির্বাসন দেওয়া হয়।
মিন্দানাও দ্বীপ
- পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- ফিলিপাইনের অধীনস্ত মুসলিম অধ্যুষিত দ্বীপ।
আবু মুসা দ্বীপ
- পারস্য উপসাগরে অবস্থিত।
- ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ।
- ইরানের মালিকানায় রয়েছে।
প্যারাসেলস দ্বীপ
- দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত।
- চীন ও তাইওয়ান এর মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ।
সেন্ট হেলেনা দ্বীপ
- আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত বৃটিশ কলোনী।
- নেপোলিয়ানকে ২য় বার এখানে নির্বাসন দেওয়া হয় এবং মৃত্যু বরণ করেন।
শাত-ইল-আরব
- পারস্য সাগরে অবস্থিত।
- ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল ।
হাওয়াই দ্বীপ
- প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের অধীন।
- এখানে সাবেক মার্কিন নৌ-ঘাঁটি ছিল যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান আক্রমণ করেছিল।
গুয়াম দ্বীপ
- প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- অন্যতম শক্তিশালী মার্কিন নৌ-ঘাঁটি।
গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ
- উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- গ্রিনল্যান্ড পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ।
- ডেনমার্ক এর মালিকানায় আছে।
জাপান
- হনসু, কিউসু, শিকোকু, হোক্কাইডো জাপানের প্রধান দ্বীপ ।
- এই চারটি দ্বীপের সমষ্টিই জাপান।
ওকিনাওয়া দ্বীপ
- জাপান সাগরে অবস্থিত।
- পানের মালিকানায় থাকলেও এখানে মার্কিন নৌ ঘাঁটি রয়েছে।
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
- জাপান সাগরে অবস্থিত।
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়া জাপানের থেকে দখল করে।
স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ
- দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত।
- চীনের অধীনস্ত বর্তমানে।
- এই দ্বীপটি নিয়ে চীন ও ভিয়েতনামের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
ফকল্যান্ড দ্বীপ
- দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনা ও ব্রিটেনের মধ্যে এ দ্বীপ নিয়ে যুদ্ধ হয়।
- এর অপর নাম মালভিনাস। বর্তমানে ব্রিটেনের মালিকানায় রয়েছে।
শাখালিন দ্বীপ
- প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- রাশিয়ার মালিকানায় এখানে রাশিয়ার নৌ-ঘাঁটি রয়েছে।
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ।
সিসিলি দ্বীপ
- ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত ইতালির মালিকানা বর্তমানে।
- বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের স্মৃতি বিজড়িত স্থান।
সুবিক বে
- প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- ১৯৯২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ফিলিপাইনের কাছে হস্তান্তর করে।
গুয়ানতানামো বে
- আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- কিউবার মালিকানায় থাকলেও এখানে মার্কিন নৌ ঘাঁটি রয়েছে।
সেনকাকু দ্বীপ
- চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ।
- চীনে এটি পরিচিত 'দিয়াওয়ার্ড' নামে।
লায়লা/পেরিজিল
- মরক্কোর মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত।
- মরক্কো ও স্পেনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ।
- জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি দখল করেছিলো।
- বর্তমানে এটি ভারতের কেন্দ্রশাসিত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- ভারত মহাসাগরে অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ার একটি দ্বীপ।
- সাবেক রাজধানী জাকার্তা এই দ্বীপে অবস্থিত।
ভারত মহাসাগরে বৃটেনের অধীনে চ্যাগোজ দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখানে সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করেছে। মরিশাস এই দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা দাবি করে আসছে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
আবু মুসা দ্বীপ হরমুজ প্রণালির একেবার কাছেই অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ। এ দ্বীপটির কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ এ দ্বীপ হচ্ছে ধনী উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত। দ্বীপটির মালিকানা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।১৯৭১ সালে শারজাহতে অনুষ্ঠিত এক সমঝোতা বৈঠকে শারজাহ চুক্তির মাধ্যমে ইরান এর অধিকাংশ এলাকার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। কিন্তু পরবর্তীতে দ্বীপের পাশবর্তী লেসার টম্ব এবং গ্রেটার টম্ব অঞ্চল দুইটি দখল করে। কয়েক বছর পূর্বে ইরান যোষণা দেয় যে, ইরানই হচ্ছে আবু মূসা দ্বীপ একমাত্র স্বত্বাধিকারী। ইরান এই দ্বীপকে একটি সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে এবং হরমুজ প্রণালীর উপর নজর রাখতে সক্ষম হচ্ছে। তবে ইরান একতরফাভাবে এ দ্বীপের মালিকানা দাবি করে আসছে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত বৃটিশ কলোনী।
- নেপোলিয়ানকে ২য় বার এখানে নির্বাসন দেওয়া হয় এবং মৃত্যু বরণ করেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
শাতিল আরব নামেও পরিচিত এই নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২০০ কিলোমিটার (১২০ মাইল)। দক্ষিণ ইরাক-এর বাসরা গভর্নরেট এর আল-কুরনা শহরে ফোরাত এবং দজলা-এর সঙ্গমে এই নদীটি গঠিত হয়েছে। নদীর দক্ষিণ প্রান্তটি ইরাক ও ইরান-এর মাঝে সীমানা গঠন ক'রে পারস্য উপসাগর-এ গিয়ে মিশেছে। বসরায় এর প্রস্থ প্রায় ২৩২ মিটার (৭৬১ ফুট) এবং মুখের দিকে তা বেড়ে হয়েছে ৮০০ মিটার (২,৬০০ ফুট) পর্যন্ত। ধারণা করা হয়, এর জলধারাটি তুলনায় সাম্প্রতিক ভূতাত্ত্বিক সময়ে তৈরি হয়েছিল। সে সময়, মূলত পশ্চিমে আরও একটি চ্যানেল তৈরী হয়েছিল এবং তার মাধ্যমেই টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিসের জলধারা, পারস্য উপসাগরে মুক্ত হত।
এই নদীর একটি শাখা হ'ল কারুণ নদী। সেই শাখা নদীটি ইরানের দিকের জলপথের সাথে মিলিত হয়ে এসে, এই নদীটিতে প্রচুর পরিমাণে পলি জমা করে। সেই কারণে, নদীটিতে চলাচল সচল রাখতে অবিরত ড্রেজিংয়ের প্রয়োজন হয়।
এই অঞ্চলটিতে বিশ্বের বৃহত্তম খেজুর বন রয়েছে ব'লে বিবেচনা করা হয়। ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে, এই অঞ্চলে খেজুর গাছ ছিল ১৭ থেকে ১৮ লক্ষ, বিশ্বের ৯০ লক্ষ গাছের এক-পঞ্চমাংশ। কিন্তু ২০০২ সালের মধ্যে, যুদ্ধ, লবণ এবং কীটপতঙ্গের কারণে ইরাক-এ প্রায় ৯ লক্ষ এবং ইরান-এ ৫ লক্ষ, মোট প্রায় ১৪ লক্ষরও বেশি খেজুর গাছ নষ্ট হয়ে যায়। বাকি ৩ থেকে ৪ লক্ষ গাছের মধ্যে অনেকের অবস্থা খুব খারাপ
মধ্য পারসিয়ান সাহিত্য এবং শাহনামে-তে (আনুমানিক ৯৭৭ এবং ১০১০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রচিত), আরভান্দ নামটি ব্যবহৃত হয়েছে টাইগ্রিসের জন্য, যার মিলিত ধারা শাতিল আরব। ইরানীরাও এই নামটি বিশেষত পরের পহ্লভি আমল-এ শাতিল আরবকে ব্যবহারের জন্য মনোনীত করেছিল এবং ১৯৭৯ সালের ইরান বিপ্লব-এর পরেও তা অব্যাহত ছিল।
- শাত-ইল-আরব - বিবাদমান নদী দোজলা ও ফোরাত এর মিলিত প্রবাহ। ১৯৮০-৮৮ ইরাক-ইরান যুদ্ধ হয়।
ইরান-ইরাক যুদ্ধ
সময়কাল : ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮০- ২০ আগস্ট ১৯৮৮
প্রেক্ষাপট : শাত-ইল-আরবের উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য ইরাক ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮০ ইরান আক্রমণ করে। এভাবে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সূচনা হয়।
যুদ্ধবিরতি :
- প্রেসিডেন্ট মরহুম শহীদ জিয়াউর রহমান ইরাক ইরান যুদ্ধ বন্ধের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন ।
- জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে যুদ্ধ বন্ধ হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- অন্যতম শক্তিশালী মার্কিন নৌ-ঘাঁটি।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- গ্রিনল্যান্ড পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ।
- ডেনমার্ক এর মালিকানায় আছে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনা ও ব্রিটেনের মধ্যে এ দ্বীপ নিয়ে যুদ্ধ হয়।
- এর অপর নাম মালভিনাস। বর্তমানে ব্রিটেনের মালিকানায় রয়েছে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
গুয়ানতানামো বে বন্দিশালা [Guantenemo Jaill ] : কিউবায় অবস্থিত কুখ্যাত মার্কিন সামরিক বন্দীশালা।
গুয়ানতানামো কারাগার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কারাগার যা বন্দীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত। এই কারাগারে বন্দীদের বিনাবিচারে আটক রাখা হয় এবং তথ্য আদায়ের লক্ষ্য নিয়ে বন্দীদের ওপর যৌন অত্যাচার, 'ওয়াটার বোর্ডিং'-সহ বিবিধ আইনবহির্ভূত উপায়ে নির্যাতন চালানো হয়। নির্যাতনের প্রকার ও মাত্রা এতই বেশি যে এই কারাগারকে ‘মর্ত্যের নরক’ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদ সত্ত্বেও এই কারাগারটিকে অব্যাহতভাবে নির্যাতনের জন্য ব্যবহার করতে থাকায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে একে মার্কিনীদের ‘লজ্জা’ হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে।
এই কারাগারটি ২০০২ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূ-খণ্ডের বাইরে কিউবার দক্ষিণ-পূর্ব পাশে ক্যারিবীয় সাগরে এর অবস্থান।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
জিনজিয়াং (Xinjiang) হলো চীনের উত্তর-পশ্চিমের একটি বিশাল স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল, যা উইগুর মুসলিম জনগোষ্ঠী এবং তাদের সমৃদ্ধ সংস্কৃতির জন্য পরিচিত; এটি বিশাল ভূখণ্ড, সিল্ক রোডের ঐতিহাসিক গুরুত্ব, তিয়ান শান পর্বতমালা ও তারিম বেসিনের মতো মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং বৈচিত্র্যময় জাতিগোষ্ঠীর (কাজাখ, কিরগিজ ইত্যাদি) আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত, তবে এটি আন্তর্জাতিকভাবে মানবাধিকার ও জাতিগত দমন-পীড়নের কারণে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
চীনের জিনজিয়াং প্রদেশটি মুসলিম অধ্যুষিত। 'উইঘুর' চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম। এরা মধ্য এশিয়ায়। বসবাসরত তুর্কি বংশোদ্ভূত একটি জাতিগোষ্ঠী। বর্তমানে উইঘুররা মূলত চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে বসবাস করে। উইঘুররা এই অঞ্চলের সরকারিভাবে স্বীকৃত ৫৬টি নৃতাত্ত্বিক সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর অন্যতম।
☞ উইঘুর লোকেরা ইথিক সম্প্রদায়ভুক্ত। মোহাম্মেদ আইমিন ভুগরা এর মতে ’history of East Turkestan' উল্লেখিত আছে যে, তাদের আছে ৯০০০ বছরের ইতিহাস।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।
- বৃটেনের মালিকানায় থাকলেও এখানে মার্কিন নৌ ঘাঁটি রয়েছে।